কয়রা উপজেলা প্রতিনিধিঃ
খুলনা জেলার কয়রা থানার মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের মহেশ্বরীপুর গ্রামে চুরি ছিনতাই প্রতারনা শ্লীলতাহানি ও খুন জখমের ঘটনায় কয়রার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও উপজেলা নির্বাহী আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মোঃ আব্দুস সাত্তার গাজী বাদী হয়ে কয়রার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৭ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর সিআর-২২৪/২০২৬ এবং আয়শা খাতুন বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর এমআর-৩৪/২৬।
মামলার অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, আছাদুল ইসলাম, আঃ রহিম সরদার, জামাল সানা, ইবাদুল সরদার, মাহফুজা বেগম, রেজাউল সরদার, ইসরাত জাহান ইশিতা, আছাদুল মোড়ল, রায়েতা সুলতানাগন মারাত্মক অস্ত্রে সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে জীবন নাশের হুমকিসহ বসত বাড়ীতে প্রবেশ করে অভিযোগকারীদের ব্যাপক মারপিট করিয়া ঘরের মধ্যে হইতে বাক্স ভেঙ্গে টাকা, স্বর্ণের অলঙ্কার ইত্যাদি লুটপাট করিয়া লইয়া যায় এবং বাড়ি ঘর দোর আসবাবপত্র ভাঙ্গিয়া ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে।
এছাড়াও ইশিতা আক্তার ও আছাদুল ইসলাম যোগসাজস করিয়া প্রতারনার আশ্রয় লইয়া অভিযোগকারী আয়শা খাতুনকে ঠকিয়ে গোপনে বিয়ে করিয়াছে বলে অভিযোগ রয়েছে। আছাদুল ইসলাম এর স্ত্রী হিসেবে আয়শা খাতুন ও ২টি কন্যা সন্তান থাকার পরেও আছাদুল ১ম স্ত্রীর অনুমতি না লইয়া গোপনে ইশিতাকে বিয়ে করে ইশিতার পিতা আসাদুল মোড়লকে বিদেশে লইয়া গেছে এবং ইশিতা আক্তারকে বিদেশে লইবার জন্য পাসপোর্ট আবেদন করিয়াছে যেখানে স্বামীর নাম আছাদুল ইসলামের নাম দেখা যায়। ভুক্তভোগী আয়শা ২টি কন্যা সন্তানকে লইয়া অসহায় হইয়া আইন শৃঙ্খলা বাহিনিসহ প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেন যে, প্রতারিত করে ইশিতা আক্তার তার স্বামীকে বিয়ে করে তাকে অসহায় অবস্থায় ফেলে যেন বিদেশে গমন করতে না পারে তাহার বিহিত ব্যবস্থা নিতে জোর দাবি করেন।
এ ব্যাপারে অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগ করার বারবার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। আদালতে খোজ নিয়ে মামলার সত্যতা পাওয়া যায়।